নতুন পোস্ট

10/recent/ticker-posts

Advertisement By Google

সুন্দরী বলিউড অভিনেত্রী যারা এখনো অবিবাহিত

কেন তারকারা বিয়ে করেনা ? এই প্রশ্নের উত্তর আমিও জানি না এবং আপনিও জানে শুধু ওই। বেশির ভাগ সমীক্ষায় দেখাগেছে বিয়ে না করার কারণ অনেক কিছুই হতে পারে। এখানে কিছু ভারতীয় অভিনেত্রীর নাম দেওয়া হলো যারা এখনোও আবিবাহিত।  

নার্গিস ফখরী

নিউয়র্কের ( আমেরিকা ) এক পুলিশ অফিসারের বাড়িতে নার্গিস এর জন্ম হয়। নার্গিস ফখরী একজন ভারতীয় -পাকিস্তানি-আমেরিকান চলচ্চিত্র অভিনেত্রী এবং মডেল, তিনি মূলত হিন্দি এবং ইংরেজি ভাষার ছবিতে উপস্থিত হয়েছেন।  হিন্দি ছবিতে তার প্রথম ভূমিকাটি ছিল ২০১১ সালের রোমান্টিক নাটক "রকস্টারের" সাথে, যার জন্য তিনি সেরা মহিলা আত্মপ্রকাশের জন্য ফিল্মফেয়ার পুরষ্কারের জন্য মনোনীত হন। বর্তমানে নার্গিসএর বয়স ৩৯ বৎসরের উপরে। 

নার্গিস ফখরী


তাবু 

তাবু হায়দ্রাবাদের এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। জন্মের সময় তাঁর বাবা তাঁর মাকে বিবাহবিচ্ছেদ করেন, মায়ের স্কুলের কম টাকার মাইনেতে তিনি মানুষ হন। তাঁর আসল নাম হলো 'তাবসুম ফাতিমা হাশমি' মানুষের কাছে তাবু নামে পরিচিত। প্রধানত তিনি হিন্দি ছবিতে কাজ করেছেন এছাড়াও তামিল , তেলেগু , মারাঠি , বাঙালি সিনেমাতেও কাজ করেছেন। বর্তমানে তাবুর বয়স ৫১ বৎসরের উপরে। 

তাবু


সাক্ষী তানওয়ার

১৯৭৩ সালে রাজস্থানের আলওয়ার গ্রামে এক অবসরপ্রাপ্ত সি. বি. আই এর মধ্যবিত্ত পরিবারে তিনি জন্মগ্রহন করেন। ১৯৯৮ সালে 'আলবেলা সুর মেলা' সিরিয়ালে  তার প্রথম আত্বপ্রকাশ হয় এরপর তিনি 'কাহানি ঘর ঘর কি' এবং 'বডে আছে লাগতে হ্যায়' মতো জনপ্রিয় সিরিয়াল গুলিতে অভিনয় করেন। বর্তমানে তিনি একজন অবিবাহিত মা যখন তিনি ছোট দিতিয়া তানওয়ার কে গৃহীত করেন। 

সাক্ষী তানওয়ার


আমিশা প্যাটেল

আমিশা প্যাটেল গুজরাটের এক ধনী পরিবারে জন্ম গ্রহণ, তাঁর বাবা একজন পেশায় আইনজীবী এবং বোম্বের কংগ্রেস রাষ্ট্রপতি। তার নামের প্রথম অক্ষর এসেছে তাঁর পিতা অমিত এর থেকে এবং শেষ অক্ষর এসেছে তাঁর মায়ের নাম আশা থেকে। আমিশা কাজের শুরুতে একজন অর্থনৈতিক বিশ্লেষক হিসাবে কাজ করেন। আমিশা বড়ো পর্দায় সুযোগ আসে তাঁর পিতার বন্ধু রাকেশ রোশান এর হাত ধরে 'কাহো না ... প্যার হ্যায়' চালচিত্রে যার বিপরীতদিকে প্রধান অভিনয় করেছেন ঋত্বিক রোশান। আমিশার এখন বর্তমান বয়স ৪৬ বৎসরের উপরে। 

আমিশা প্যাটেল


একতা কাপুর

বলিউড তারকা জিতেন্দ্র এর একমাত্র কন্যা হলেন একতা কাপুর। তাঁর ভাই হলেন তুষার কাপুর। একতা ১৯৯৪ সালে 'বালাজি টেলিভিশন লিমিটেড' শুরু করেন যার অধীনে 'বালাজি মোশন পিকচার' এবং 'ALT বালাজি' চালু করেন ALT বালাজি প্রধানত নগ্ন চলচিত্তের কাজ করে। একতা ২০২০ সালে ভারতের চতুর্থ সর্ব শীর্ষ সন্মান "পদ্মশ্রী" সম্মানে ভূষিত হন। রাবি কাপুর নামে তাঁর একটি পুত্র সন্তান আছে , যার জন্ম 27 জানুয়ারী 2019

একতা কাপুর


সুস্মিতা সেন

সুস্মিতা সেন ভারত তথা বাঙালী একমাত্র মহিলা যিনি ১৯৯৪ সালে মাত্র ১৮ বৎসর বয়সে বিশ্বসুন্দরী হয়েছিলেন। সুস্মিতা হায়দ্রাবাদে জন্মগ্রহণ করেন তাঁর বাবা ছিলেন ভারতীয় বিমান বাহিনী উইং কমান্ডার এবং মা ছিলেন দুবাই ভিত্তিক সোনার ব্যাবসার মালিক। উচ্চমাধ্যমিক পাশের পরে সুস্মিতা আর পড়াশোনা করেনি। সুস্মিতা ২০০০ সালে একটি ময় গ্রহণ করেন নাম রিনা এবং ২০১০ সালে গ্রহণ করেন নাম হয় আলিশা।  

সুস্মিতা সেন


মোনা সিং

দুই বার 'ভারতীয় টেলিভিশন একাডেমি পুরষ্কার' প্রাপ্ত মোনা সিং ১৯৮১ সালে চন্ডিগড় এর শিখ পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। মোনা তারকা আমির খান এর সাথে '3-Idiots' জনপ্রিয় চলচিত্তে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। 

মোনা সিং

নাগমা

১৯৯০ সালে তারকা সালমান খান এর সাথে 'বাঘি' চালচিত্র নাগমা সিনেমা জগতে আত্মপ্রকাশ করেন। ছোটথেকেই নাগমার মা নাগমাকে অভিনয় করার জন্য প্রসংশিত করতেন। নাগমা একজন সক্রিয় রাজনীতিবিদ, ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ২০০৪ সালের সাধারণ লোকসভা নির্বাচনের জন্য হায়দরাবাদ থেকে নাগমাকে প্রার্থী করতে চেয়েছিল বলে জানা গেছে কিন্তূ তিনি ২০০৪ সালে কংগ্রেসে যোগদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং অন্ধ্র প্রদেশে প্রচার করেছিলেন।তিনি কংগ্রেস পার্টির "ধর্মনিরপেক্ষতা ও দরিদ্র ও দুর্বল শ্রেণীর কল্যাণের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ" তার যোগদানের কারণ হিসাবে উল্লেখ করেছিলেন। 

নাগমা

আশা প্যারেক

আশা প্যারেক একজন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী, পরিচালক, এবং প্রযোজক যিনি তার কর্মজীবন জুড়ে অনেক বাণিজ্যিকভাবে সফল ছবিতে উপস্থিত হয়েছিলেন। তিনি তার সময়ের সর্বাধিক বেতনের অভিনেত্রী ছিলেন এবং 1960 এবং 1970 এর দশকের অন্যতম সফল অভিনেত্রী ছিলেন। আশা গুজরাটে জন্মগ্রহন করেন , তার মা ছিলেন মুসলিম এবং বাবা ছিলেন গুজরাটি হিন্দু। আশার মা আশাকে ছোটো থেকেই নিত্য স্কুলে ভর্তি করেন সেখানে তিনি পান পণ্ডিত বানসিলাল ভারতীর মতো শিক্ষক।  ১৯৯২ সালে তিনি "পদ্মশ্রী" সন্মানে ভূষিত হন। 

আশা প্যারেক


অনু আগরওয়াল

অনু আগরওয়াল ১৯৬৯ সালে দিল্লী তে জন্মগ্রহন করেন। অনু দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞান এর ওপর স্বর্ণ পদক প্রাপ্য হন।  ১৯৮৮ সালে 'আশিকি' বলিউড সিনেমাতে তিনি প্রথম আত্মপ্রকাশ করেন। গাড়ি দুর্ঘটনায় ২৯ দিনের কোমা থেকে ফিরে আসার পর তিনি খুবি দারিদ্রতার সঙ্গে জীবনযাপন করতে থাকেন। ১৯৯৭ সালে তিনি বিহারের যোগ স্কুল যোগদেন এবং ১৯৯৯ সালে পুনরায় মুম্বাই ফিরে আসেন। ২০০১ সাল থেকে তিনি সন্নাস গ্রহণ করেন।  

অনু আগরওয়াল


Post a Comment

0 Comments